দুয়া হল মু'মিনের হাতিয়ার=সুঘন্ধি+শান্তি+নিরাপত্তা+আকর্ষণ+চিরস্থায়ীমুক্তি
*কেউ জিজ্ঞাসা করল, তুমি কেমন আছো? তুমি বলবে আলহামদুলিল্লাহ্ আমি ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন? ভয় নেই ভয় নেই আল্লোহ আছে । হাসবুনাল্লোহু নি’মাল
ওয়াকিল। আল্লাহ্’ই যথেষ্ট।
*সকল ভালো কাজ ডান দিক দিয়ে শুরু কর এবং বিসমিল্লাহ বল।(যেমন- জুতা পরার সময় ডান পা আগে ঢুকিয়ে দাও, মাথা চিরুনি দেয়ার সময় ডান হাত দিয়ে ডান দিক দিয়ে শুরু কর, কাপড় পরার সময় ডান হাত বা ডান পা আগে ঢুকিয়ে দাও ইত্যাদি)।
আমরা
যা শিখব তা জানিয়ে দিব।
*ভবিষ্যতে কোন কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করলে আগে ইংশা-আল্লোহ বল(যদি আল্লাহ চায়)যেমন-ইংশা-আল্লাহ আমি আগামীকাল স্কুলে যাব। জ্ঞানের জন্য
বলব রব্বি ঝিদনী ইলমা।
*নামাজে ইমাম সালাম ফিরানোর পরে আমরা ১ বার আল্লাহু-আকবার বলব, তারপরে ৩ বার আস্তাগফিরুল্লোহ বলব। তারপর
আয়াতুল কুরসি
পড়ব। মাগরিব ও ফাজরের সলাতের পর তিনবার করে অন্য ওয়াক্তে একবার করে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ব।
*১০০ বার সুবহা-নাল্লোহ বললে ১০০০ নেকী হয় ১০০০ গুনাহ মাফ হয়।
*বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ে বলব
বিসমিল্লাহি, তাওয়াককালতু ‘আলাল্লোহি, ওয়ালা- হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা
বিল্লাহ। *ভয় লাগলে লা- ইলা-হা ইল্লাল্লোহ বল।
*কোন সুন্দর কিছু বা মানুষ বা বাচ্চা দেখলে, মা-শা আল্লাহ বল (আল্লাহ চেয়েছে তাই সুন্দর)। সালাম দিয়ে সকলের সাথে পরিচিত হব। কোন দুঃসংবাদ শুনলে ইন্না লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রজিউন বল।
*তোমার সাথে কেউ ভালো আচরণ করলে তাঁর জন্য জাঝা কাল্লোহু খইরন বল।
*হাঁচি দিলে আলহামদুলিল্লাহ বল, উত্তর শুনলে ইয়ারহামুকাল্লোহ(আল্লাহ তোমাকে রহম করুন) বল। উপরে উঠলে আল্লাহু আকবার বল, নিচে নামার সময় সুবহানাল্লোহ বল
।
*কোন সুসংবাদ বা আশ্চর্য কোন কিছু শুনলে বা দেখলে সুবহা-নাল্লোহ(আল্লাহ পবিত্র) বল। আল্লাহ্র
প্রশংসা শুনলে আলহামদুলিল্লাহ
বল, বড় কোন কিছু দেখলে আল্লোহু আকবার বল।
ঘুমানোর
দুয়া আল্লাহুম্মা বিস্মিকা
আমুতু ওয়া আহ ইয়া। ওজুর শেষে কালিমা শাহাদাত বল।
*খাবার শুরুতে বিসমিল্লাহ বল, আর বলতে ভুলে গেলে বিসমিল্লাহি ফি আউয়ালিহি
ওয়া আখিরিহি বল। প্লেটের নিচে কাপড় রাখবে ও প্লেট চেটে খাবে।
খাবারের মাঝখানে আলহামদুলিল্লাহ্ বল।
*রাতে কুকুর ডাকলে কুকুর শাইতন দেখতে পায় তখন আয়ুজু বিল্লাহি মিনাশ
শাইতনির রজিম বল। মোরগ
ডাকলে মোরগ ফিরিশতা দেখতে পায় তখন মাসজিদ থেকে বের হওয়ার
দুয়া পড়তে হয় । আজান ও ইকামাতের সময় কথা বলব না, জবাব দিব। হাইয়া আলাস সলাহ ও ফালাহ এর সময় লা হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বল।
*জুমুয়াবারে
সূরা কাহাফ পড় ফিতনা থেকে মুক্ত থাক।
*কোন রোগীকে দেখতে গেলে সান্তনা দেয়া ও বলা লা- বা’সা তুহুরুন
ইংশা-আল্লাহ(ভয় নেই আল্লাহ চায় তো সুস্থ হয়ে যাবেন) । সূরা বাকারার শেষ দুই
আয়াত তিলাওয়াত কর ঐ রাতে বিপদ মুক্ত থাক।
*কোন মানুষের দাফনের পর বলা যায় আল্লাহুম্মাগফিরলাহু ওয়া
ছাব্বিতহু(হে আল্লাহ তাকে মাফ কর ও তাকে মজবুত রাখ)।
মাফ
পাওয়া পর্যন্ত সুপারিশ পেতে চাও প্রতিরাতে সূরা মূলক পড়ে নাও।
*খারাপ স্বপ্ন দেখলে বামদিকে তিনবার থু থু ফেলতে হবে ও আয়ুজু বিল্লাহি মিনাশ
শাইতনির রজিম বলতে হবে। সাবধান খারাপ স্বপ্ন কাউকে বলবে না।
রাগ আসলে বসে পড়, নচেৎ শুয়ে পড় বা ওজু কর। ঘুম থেকে উঠে ও
শোয়ার আগেই ব্রাশ করে নাও। ওজুর সময় মিসওয়াক করার চেষ্টা করবে।
*এই জিকিরগুলো সবসময় করবে- সুবহা-নাল্লোহ, আলহামদুলিল্লাহ্, আল্লোহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লোহ। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ বার দরুদ পড়বে, নামাজের মধ্যে যে দরুদ আমরা পড়ে থাকি।
*একবার সুবহা-নাল্লোহিল আযিম
ওয়া বিহামদিহি বললে তোমার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ
লাগানো হবে। *নামাজের সময় তাড়াহুড়া করবে না খুব ধীরে ধীরে নামাজ পড়বে। এদিক সেদিক
দেখবে না; আর মাসজিদ থেকে নোংরা জিনিস ফেলে দিবে অনেক সওয়াব হবে। আম্মু বা আব্বুকে
অন্য নামে ডাকবে না।
প্রতিদিন স্কুলে বা কোথাও যাওয়ার সময় বলে যাবে ও দুয়া নিবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন